বুড়ো বয়সে tk10 থেকে গেম ডাউনলোড করে যা শিখলাম – নতুনদের জন্য ৪টি ফানি টিপস!
· অফিসিয়াল
গেম খেলা কি শুধু বাচ্চাদের কাজ? আমি তো মানি না!
আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত মানুষ। সারাদিন বাড়িতে বসে টিভি দেখতে বা খবরের কাগজ পড়তে পড়তে মাঝে মাঝে একঘেয়ে লাগে। নাতি-নাতনিরা যখন মোবাইল টিপে টিপে গেম খেলে, তখন আমারও কেন জানি খুব কৌতূহল হতো। ভাবলাম, আমিই বা কেন বাদ যাবো? তাই একদিন সাহস করে আমার ছেলের ফোন থেকে tk10-এ ঢুকলাম আর একটা গেম নামিয়ে ফেললাম। নামটা এখন মনে নেই, তবে সেটা ছিল একটা অ্যাডভেঞ্চার গেম। আর তারপর যা হলো…
আমার প্রথম গেম খেলার অভিজ্ঞতা ও কিছু ফানি টিপস:
- প্রথমেই ভেবেছিলাম এটা বাচ্চাদের খেলনা: যখন গেমটা শুরু করলাম, তখন ভাবলাম, এ তো বাচ্চাদের খেলা! কিন্তু কয়েক মিনিট যেতেই বুঝলাম, নাহ, এটা মোটেই সহজ নয়। প্রথম লেভেলেই কয়েকবার মরে ভূত হয়ে গেলাম! tk10 থেকে গেম নামানোর আগে ভাবিনি এত কঠিন হবে।
- আঙুলের গতি বাড়ান, নয়তো হেরে যাবেন: এই বয়সে আঙুলগুলো আর তত দ্রুত চলে না। গেমের ক্যারেক্টারকে ডানে-বামে সরাতে গিয়ে প্রায়ই ভুল জায়গায় টিপে দিতাম। আমার নাতি বলল, ‘দাদু, তুমি তো হার্ট অ্যাটাক করবে গেম খেলতে গিয়ে!’ তাই টিপস হলো, যারা নতুন, তারা ধীরে ধীরে শুরু করুন, আঙুলের ওয়ার্ম আপ করে নিন!
- গেমের কাহিনী বুঝতে চেষ্টা করুন: আমি তো প্রথমে শুধু দৌড়াচ্ছিলাম আর মারামারি করছিলাম। পরে বুঝলাম, আরে বাবা, এর একটা কাহিনী আছে! শত্রুদের মারার আগে জানতে হবে তারা কেন শত্রু, আর আমার মিশনটা কী। tk10 থেকে ডাউনলোড করা এই গেমে অনেক মজার মজার চরিত্র ছিল।
- হারলেও হাসতে শিখুন: গেম খেলতে গিয়ে বারবার হারছিলাম, আর মেজাজ খারাপ হচ্ছিল। কিন্তু পরে ভাবলাম, আমি তো আর প্রফেশনাল গেমার নই। এটা তো শুধু আনন্দের জন্য! তাই হারলেও হাসি মুখে মেনে নিতে শিখুন, দেখবেন গেমটা আরও বেশি মজার লাগবে।
tk10-এ আরও অনেক মজার মজার গেম আছে দেখলাম। যদিও আমি এখনো পুরোপুরি প্রো গেমার হতে পারিনি, তবে এই বয়সে এসে নতুন কিছু শেখার আনন্দটাই অন্যরকম। তোমরা যারা আমার মতো নতুন, তারা tk10 থেকে একটা গেম নামিয়ে দেখতে পারো। শুধু মনে রেখো, এটা কিন্তু শুধু বাচ্চাদের খেলনা নয়!